Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পর লাশ মিলল তরুণের

আরিফ মিয়া 

নরসিংদীর মনোহরদীতে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পর মোআরিফ মিয়া (২২) নামের এক তরুণের লাশ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার গোতাশিয়া ইউনিয়নের মুন্সীরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার দুপুরে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবার। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে।

আরিফ মিয়া ২১ বছর ধরে মনোহরদী উপজেলার গোতাশিয়া ইউনিয়নের মুন্সীরবাড়ি গ্রামে নানাবাড়িতে ছিলেন। স্থানীয় মুন্সীর বাজারে সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবসা করতেন। তাঁর বাবা মো. ওসমান মিয়া সৌদিপ্রবাসী।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আরিফ মিয়াকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বাড়ি থেকে ডেকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান রুবেল নামের তাঁর এক বন্ধু। রাতের খাবারের সময় হলেও তিনি বাসায় ফেরেননি। রাত সাড়ে আটটার দিকে আরিফের মুঠোফোন নম্বরে ফোন দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে রাত নয়টার দিকে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনের কাছে এক তরুণের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আরিফের লাশ শনাক্ত করেন। রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। এজাহারে আরিফকে তাঁর বন্ধু রুবেল ডেকে নিয়ে যান বলা হলেও মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়নি। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার বাদী ও নিহত তরুণের নানা মো. সুলতান উদ্দিন বলেন, খুনের আগে আরিফকে নেশাজাতীয় কিছু খাওয়ানো হয়েছিল। তাঁর ডান হাতের কনুই ও কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া মুখ দিয়ে লালা ঝরছিল। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চান।পুলিশ সোমবার মো. রুবেল (২৪) ও মো. শরীফ (২২) নামের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। রুবেল গোতাশিয়া ইউনিয়নের মুন্সীরবাড়ি গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। আর শরীফ একই ইউনিয়নের উত্তর রথেরকান্দা গ্রামের আবদুল বাতেনের ছেলে

    1. মনোহরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আরিফুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই তরুণকে থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সোমবার সকালে আরিফের লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


Post a Comment

0 Comments